বিশেষ সতর্কীকরণ


পড়তে ভালো লাগবে না , পড়তে গিয়ে ভাবতে বসলে তো গেলো গঙ্গা স্নানেও পাপ শুদ্ধি হবে না । তাই বিশেষ সতর্কীকরণ "পড়তে নেই, নইলে ভালো থাকতে নেই"

Showing posts with label bengali blog. Show all posts
Showing posts with label bengali blog. Show all posts

Thursday, April 30, 2015

সেন্টিমেন্ট



তাকিয়ে দেখেছ পথ কত অপরাধ
ফেলে রেখে এগিয়েছ নির্বিকার রাতে,
কোনো আলো ঠিক এসে ধুয়ে দিয়ে যাবে
আমি হাল ছেড়ে আছি সেই ভরসাতে।

জড়িয়ে দেখেছ মায়া কত নিষ্ঠুর
আশ্বাস ফেলে রেখে এগিয়েছে ভিড়ে,
সব চিঠি ঠিকানার উল্লেখ রাখে
পাল্টানো আস্তানা শুধু ভুল ধরে।

মিলিয়ে দেখেছ মন শূন্যতা শুধু
তোমার জন্য রাখা আজও রাজপথ,
অপেক্ষার ফুটপাতে এগিয়েছ তুমি
আড়ালে রয়েছে শুধু সেই কানা ছাদ ।

অন্য-রকম



ভাবতে বসে চোখের তারায় হারিয়েছিলে
পলক ফেলার সে খেলা তো অন্যরকম
আজও ভাবাও একপ্রকারে শান্তি পেলে
চোখ বুজে আজ কল্পনাতেই সেদিন যেমন

যে সব ফেলে তোমার সাথে হারিয়েছিলাম
আজ পাবো না জানার পরেও শান্ত থাকি
সে দিন চোখের তারায় ছিল অন্ধগলি
তিস্তা পারে কয়েক দিনের গল্প বাকি

বেশ গড়াত গল্প না হয় কয়েক পাতা
স্পর্শ আরও কয়েক ফুলের ওড়াত মন
উপচে উঠে তলিয়ে গেলে যে প্রবাহ
আগলে রাখা হারিয়ে যাওয়ার সব আয়োজন।

অ-রাজ-নৈতিক


প্রশ্ন ওঠে আর কত আর মারবে বলো
মৃত্যু শুধু জন্ম দেবে নতুন খবর
শেষ হয়েছে তোমার সাধের বিছানা পাতা
কেউ তো ধোঁয়ায় মিলিয়ে যাবে কেউবা কবর

তবুও তুমি লোক দেবে রোজ তর্ক করার
জমবে আসর শুনব কথা বুঝব তো কম
প্রমাণ দেবে কোমর বেধে অসততার
দুচোখ খুলে বলবে আমি অন্ধ ছিলাম

আমরা তো আম, অন্ধকারের অভ্যেসেতে
ভাষণ শুনি, পোষন করি তোমার দু-হাত
যে কাল কাটাই, তপন ভেবে, আগুন হাতে
মাঝে শুধু চমকে উঠি শীতলতায়।

প্রশ্ন ওঠে আর কত আর রক্ত খাবে
কি বা আসে যায় বল যার দিন চলে যায়
নাম পদবী খবর সব দেখিয়ে যাবে
মৃত্যু একাই কয়েক প্রাণের পথ ঘেটে দেয়।

ডিস্ট্যান্স - খ্যাপার খুলি



সবার থেকে সব কিছু আজ রাখছি দূরে
খুব সোজা এক জীবন নামের খেলায় মেতে
ঘটেছে যা, ঘটছে যা আজ অন্তঃপুরে
জটিলতা আঁকড়ে ধরে যে রন্ধ্রেতে

খেলার শুরু যে পথে সে পথের ধারে
আজকে নতুন পান্থপাদপ তেষ্টা মেটায়
রন্ধ্র দেখি উঠছে ফুলে যন্ত্রণাতে
দূর থেকে আজ সব কিছু কি শান্ত দেখায়

সব কিছু থাক একটুখানিই পাওয়ার ছিল
একটুখানি পালক হাওয়ায় উড়তে চাওয়া
বেইমানী এক সূর্যডুবে সন্ধ্যে হল
এখন শুধু বাধ সাধে সেই হাটতে যাওয়া।

Friday, April 3, 2015

অবাধ্য




এতো সম্ভব অসম্ভবের মতই
দূর্বলতার মতই শক্তিশালী
এত উজ্জ্বল উপস্থিতির ক্ষত
পাল্টায় ঘর, নজর কুড়োয় খালি

যত দিন যায়, আসে দিন তার বেশি
সময় ফেলে উপস্থিতির চড়া
তোমার ঘরে ঘর বাঁধা কোন দোষে
অবাধ্য কেন তোমার প্রেমে পড়া

সান্তনা ভেবে তুফানে ভাসাই তরী
ফিরে আসি রোজ দেখি চেনা তীর ভিড়ে
গল্পরা শুধু জানে ও জানায় কথা
চলে যাওয়া দেখি আমি জানলায় ফিরে।

Thursday, April 2, 2015

শেষের শুরু


শেষের সেভাবে কোনো শুরু হয় না। শেষ টা হঠাৎ আসে। শুধু শেষের পরে যে শুরু, সেটাকে কাটিয়ে ওঠা...নাকি কেটে ওঠা...কারন বেশ অনেকটা মাটির তলায় তখন গেঁথে গেছে শরীর, মন। অবশ্য এর ভলিউমেট্রিক পরিমাপ করতে গেলে আরও ঢুকে গেলে। তাই শুধু কেটে ওঠা, যতটা ওঠা যায় যাবজ্জীবনে।অন্তত ওঠার চেষ্টা। কিভাবে ডুবলে? কেন? প্রশ্নরাও ঘিরে ধরতে পারে না আমায়, কারন ভুল উত্তর ছড়িয়ে দিয়েছি আগেই, উত্তর সংকলনের নাম দিয়েছে বিলাসিতা । প্রচন্ড ইচ্ছে করে শেষের শুরু কোনো শেষ দিয়ে হোক, বারংবার নেমে আসা শেষগুলোকে যাবজ্জীবনের সঙ্গী করে সুখকর দিনযাপন তো নামমাত্র। তবে অভাব বোধ করি শেষের সামিয়ানার। চারটে দেওয়াল আর একটা ছাঁদ হোক না সে পলেস্তরা খসা, না হোক তাতে অয়েল পেন্ট, সেখানে দাগ লাগলে মুছে নাই যেতে পারে... অন্তত এমন একটা কিউবিকল আমার শেষটাকে ঢেকে দিতে বেশ কয়েকদিনের জন্য। তারপর পচাগলা, আনআইডেন্টিফায়েড একটা অস্তিত্ত্ব উঠে আসত শেষ নিয়ে। আমি ধারাবাহিক হয়ে উঠতাম কয়েকদিনের জন্য, কয়েকদিন, তারপর তো আছেই আরও শুরুর শেষ বা শেষের শুরু...সেসব দিয়ে ঢেকে যেত আমার শেষের বিলাসিতা। কি প্রচন্ড ইচ্ছেরা চেপে ধরছে আমায়, গেঁথে যাওয়া শরীর, মন আর চেপে ধরা ইচ্ছে, আমাকে লালন করছে আমাকে। প্রতিদিন। সংকলনের নাম বিলাসিতা।