বিশেষ সতর্কীকরণ


পড়তে ভালো লাগবে না , পড়তে গিয়ে ভাবতে বসলে তো গেলো গঙ্গা স্নানেও পাপ শুদ্ধি হবে না । তাই বিশেষ সতর্কীকরণ "পড়তে নেই, নইলে ভালো থাকতে নেই"

Showing posts with label Khyapar Khuli. Show all posts
Showing posts with label Khyapar Khuli. Show all posts

Thursday, April 30, 2015

সেন্টিমেন্ট



তাকিয়ে দেখেছ পথ কত অপরাধ
ফেলে রেখে এগিয়েছ নির্বিকার রাতে,
কোনো আলো ঠিক এসে ধুয়ে দিয়ে যাবে
আমি হাল ছেড়ে আছি সেই ভরসাতে।

জড়িয়ে দেখেছ মায়া কত নিষ্ঠুর
আশ্বাস ফেলে রেখে এগিয়েছে ভিড়ে,
সব চিঠি ঠিকানার উল্লেখ রাখে
পাল্টানো আস্তানা শুধু ভুল ধরে।

মিলিয়ে দেখেছ মন শূন্যতা শুধু
তোমার জন্য রাখা আজও রাজপথ,
অপেক্ষার ফুটপাতে এগিয়েছ তুমি
আড়ালে রয়েছে শুধু সেই কানা ছাদ ।

অন্য-রকম



ভাবতে বসে চোখের তারায় হারিয়েছিলে
পলক ফেলার সে খেলা তো অন্যরকম
আজও ভাবাও একপ্রকারে শান্তি পেলে
চোখ বুজে আজ কল্পনাতেই সেদিন যেমন

যে সব ফেলে তোমার সাথে হারিয়েছিলাম
আজ পাবো না জানার পরেও শান্ত থাকি
সে দিন চোখের তারায় ছিল অন্ধগলি
তিস্তা পারে কয়েক দিনের গল্প বাকি

বেশ গড়াত গল্প না হয় কয়েক পাতা
স্পর্শ আরও কয়েক ফুলের ওড়াত মন
উপচে উঠে তলিয়ে গেলে যে প্রবাহ
আগলে রাখা হারিয়ে যাওয়ার সব আয়োজন।

অ-রাজ-নৈতিক


প্রশ্ন ওঠে আর কত আর মারবে বলো
মৃত্যু শুধু জন্ম দেবে নতুন খবর
শেষ হয়েছে তোমার সাধের বিছানা পাতা
কেউ তো ধোঁয়ায় মিলিয়ে যাবে কেউবা কবর

তবুও তুমি লোক দেবে রোজ তর্ক করার
জমবে আসর শুনব কথা বুঝব তো কম
প্রমাণ দেবে কোমর বেধে অসততার
দুচোখ খুলে বলবে আমি অন্ধ ছিলাম

আমরা তো আম, অন্ধকারের অভ্যেসেতে
ভাষণ শুনি, পোষন করি তোমার দু-হাত
যে কাল কাটাই, তপন ভেবে, আগুন হাতে
মাঝে শুধু চমকে উঠি শীতলতায়।

প্রশ্ন ওঠে আর কত আর রক্ত খাবে
কি বা আসে যায় বল যার দিন চলে যায়
নাম পদবী খবর সব দেখিয়ে যাবে
মৃত্যু একাই কয়েক প্রাণের পথ ঘেটে দেয়।

ডিস্ট্যান্স - খ্যাপার খুলি



সবার থেকে সব কিছু আজ রাখছি দূরে
খুব সোজা এক জীবন নামের খেলায় মেতে
ঘটেছে যা, ঘটছে যা আজ অন্তঃপুরে
জটিলতা আঁকড়ে ধরে যে রন্ধ্রেতে

খেলার শুরু যে পথে সে পথের ধারে
আজকে নতুন পান্থপাদপ তেষ্টা মেটায়
রন্ধ্র দেখি উঠছে ফুলে যন্ত্রণাতে
দূর থেকে আজ সব কিছু কি শান্ত দেখায়

সব কিছু থাক একটুখানিই পাওয়ার ছিল
একটুখানি পালক হাওয়ায় উড়তে চাওয়া
বেইমানী এক সূর্যডুবে সন্ধ্যে হল
এখন শুধু বাধ সাধে সেই হাটতে যাওয়া।

Saturday, April 4, 2015

আজনবি



সুন্দর ফেলে এমনিতে কলরব
শব্দেরা জানে নিঃশব্দের ভাষা
এক ঝলকই তোমায় দেখা কাফি
চোখে চোখ রাখা মিথ্যে কিছু আশার

বদলাও তুমি নিজেকে নিজের মতো
আমি ঘুরেফিরে পরিবর্তন সাজি
তিক্ষতা শুধু ছুঁয়ে যায় অবিরত
গোপনীয়তায় পোড়াও স্বপ্নবাজি

ওঠে ঝড় কিছু নামকরণের আগেই
বেনামী সূত্র ফেলে রাখে ঘড়ি কাঁটা
যা কিছু প্রিয়, থাকে প্রিয়র মতই
আজনবি হয়, চেনা গন্ধের পাতা।

Friday, April 3, 2015

অবাধ্য




এতো সম্ভব অসম্ভবের মতই
দূর্বলতার মতই শক্তিশালী
এত উজ্জ্বল উপস্থিতির ক্ষত
পাল্টায় ঘর, নজর কুড়োয় খালি

যত দিন যায়, আসে দিন তার বেশি
সময় ফেলে উপস্থিতির চড়া
তোমার ঘরে ঘর বাঁধা কোন দোষে
অবাধ্য কেন তোমার প্রেমে পড়া

সান্তনা ভেবে তুফানে ভাসাই তরী
ফিরে আসি রোজ দেখি চেনা তীর ভিড়ে
গল্পরা শুধু জানে ও জানায় কথা
চলে যাওয়া দেখি আমি জানলায় ফিরে।

Thursday, April 2, 2015

শেষের শুরু


শেষের সেভাবে কোনো শুরু হয় না। শেষ টা হঠাৎ আসে। শুধু শেষের পরে যে শুরু, সেটাকে কাটিয়ে ওঠা...নাকি কেটে ওঠা...কারন বেশ অনেকটা মাটির তলায় তখন গেঁথে গেছে শরীর, মন। অবশ্য এর ভলিউমেট্রিক পরিমাপ করতে গেলে আরও ঢুকে গেলে। তাই শুধু কেটে ওঠা, যতটা ওঠা যায় যাবজ্জীবনে।অন্তত ওঠার চেষ্টা। কিভাবে ডুবলে? কেন? প্রশ্নরাও ঘিরে ধরতে পারে না আমায়, কারন ভুল উত্তর ছড়িয়ে দিয়েছি আগেই, উত্তর সংকলনের নাম দিয়েছে বিলাসিতা । প্রচন্ড ইচ্ছে করে শেষের শুরু কোনো শেষ দিয়ে হোক, বারংবার নেমে আসা শেষগুলোকে যাবজ্জীবনের সঙ্গী করে সুখকর দিনযাপন তো নামমাত্র। তবে অভাব বোধ করি শেষের সামিয়ানার। চারটে দেওয়াল আর একটা ছাঁদ হোক না সে পলেস্তরা খসা, না হোক তাতে অয়েল পেন্ট, সেখানে দাগ লাগলে মুছে নাই যেতে পারে... অন্তত এমন একটা কিউবিকল আমার শেষটাকে ঢেকে দিতে বেশ কয়েকদিনের জন্য। তারপর পচাগলা, আনআইডেন্টিফায়েড একটা অস্তিত্ত্ব উঠে আসত শেষ নিয়ে। আমি ধারাবাহিক হয়ে উঠতাম কয়েকদিনের জন্য, কয়েকদিন, তারপর তো আছেই আরও শুরুর শেষ বা শেষের শুরু...সেসব দিয়ে ঢেকে যেত আমার শেষের বিলাসিতা। কি প্রচন্ড ইচ্ছেরা চেপে ধরছে আমায়, গেঁথে যাওয়া শরীর, মন আর চেপে ধরা ইচ্ছে, আমাকে লালন করছে আমাকে। প্রতিদিন। সংকলনের নাম বিলাসিতা। 

Friday, April 5, 2013

আরও একবার

 অনেকদিন পর লিখছি । অনেকদিন টা ঠিক কতদিনে হয় ঠিক জানা নেই । তবে আগে যেমন ঘনঘন বেশ লুস মোশনে লিখতাম, তেমন নয় । তবে তাতে গাঢ়ত্ব কত বেড়েছে বলতে পারবো না । একটু অন্য ছন্দ, একটু অন্য রিদিমে লেখা । আগে এমনটা লিখিনি । বিষয়টাও কতকটা একঘেয়ে লাগতে পারে । তবে লাগুক । তবে এখনও লিখতে পারছি এতে বেশ আশ্বস্ত । একটা ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ার মত । ঘাম টা মাথা থেকে পা-য়ে পড়ার আগেই অবশ্য শুকিয়ে গেছে । আর কিছুটা সময় ছড়িয়ে গেছে ফাঁকা উঠোনে । কুড়িয়ে নিও যে যার মত সময় পেলে ।

ভাবিস না তুই আলোর চেয়ে জোরে ছুটবো আমি
ফেরার চেষ্টায় অবাধ জলে আবছা সামিল
তোর প্রায় ফুরোনো সময়টাকে বাধবো বলে
আর কিছু টা চাইছি সময় রাত পোহালে
আমি তোর ঠিকানায়, তোর সীমানায়
দূরবীনে চোখ আস্ত কানা
আলপিনে ফুল
আর কিছুটা চাইছি সময়
আর কিছু ভুল

ভাবিস না তুই ডুব দেবো না ভরলে কানায়
ফিরছি ভিজে ফিরছি তোর ওই ভুল ঠিকানায়
তোর চাঁদের বাড়ি, চরকা কাটা বুড়ির সুতো
ফেরার বিকেল, ওড়ায় ধূলো তোর এক মুঠো
তোকে সাহস দেখাই, বাঁচবো একাই
শক্ত মনে
তবুও কিছু চাইছি সময়
মন্দ বলে ।

Sunday, December 23, 2012

আন্তাবড়ি - ৩


- পুটকি টা দেখছেন ?
- কোথায় ?
- ওই যে দেওয়ালে দেওয়ালে ।
- কোন দেওয়ালে ?
- হোয়াইট হাউসের দেওয়াল নিশ্চয় বলিনি ।
- বলেননি যে কি করে বুঝবো ? আপনি তো সেটাও বলেননি যে আপনি বলেননি ।
- আমি তো শুধু পুটকি বোললাম ।
- তো হোয়াইট হাউস-ও বলতে পারতেন ।
- না কেন বলবো ?
- এই, যে জন্য পুটকি বললেন ।
- সে তো পুটকি আছে বলে বোললাম ।
- সে টা কোথায় ?
- দেওয়ালে ।
- দেওয়াল টা কোথায় ।
- সেটা জিজ্ঞেস করুন না ।
- করতে দিচ্ছেন কই !
- দিচ্ছি না বলে করবেন না ?
- করতে দিলেই বা কেন করবো ।
- সুযোগ এলে সদ্ব্যবহার করতে হয় বলে ।
- সব ব্যবহার কি সৎ হয় ?
- অসৎ না করলেই হয় ।
- আপনি জানেন আমি সৎ
- আপনিও তো জানেন না আমি সৎ কি না ।
- তাতে আমার কি ?
- তাতে আপনারও কিছু না ।
- তাহলে পুটকি দেখুন ।
- কোথায় ?
- দেওয়ালে দেওয়ালে ।

Friday, December 21, 2012

আন্তাবড়ি - ২



(সকাল ৯ টা বাস স্ট্যান্ড, একটি লোক দাঁড়িয়ে, পাশে আর একজন এসে দাঁড়ায় ।)
আর একজন লোক জিজ্ঞাসা করে ।
-    
--   কোথায় আছি বলুন তো ?
--   কেন যেখানে ছিলেন ।
--   ইয়ে মানে সেটাই বা কোথায় ?
--   কেন আপনি কি ভবঘুরে । এক জায়গায় থাকেন না ?
--   এইরে তা তো বলতে পারবো না । তবে সেরকম উৎখাত জাতীয় কিছু হইনি কখনো । হলে হয়তো ভবঘুরে হয়ে যাবো ।
--   তাহলে তো মিটেই গেল, আগে যেখানে ছিলেন এখনো সেখানেই আছেন ।
-   আচ্ছা মুস্কিল সেটাই তো জানতে চাইছি আগে ঠিক কোথায় ছিলাম ।
--   না ঠিক কতক্ষণ আগের কথা জানতে চাইছেন ।
--   আপনি ঠিক কতক্ষণ আগের কথা জানেন ?
--   এই তো মিনিট তিনেক আগে আপনি আমার পাশে এসে দাড়ালেন ।
--   ঠিক বলছেন । মিনিট তিনেক ?
--  একদম কাঁটায় কাঁটায় ঠিক না হলেও, আপাতভাবে সেরকম ।
--   তাহলে দেখুন সময় ব্যাপার টাই তো আপাত । আর সময় আর স্থান দুটোই পরস্পরের উপর নির্ভরশীল । তাহলে আপনি কি বলতে পারেন যে আমি আগে যেখানে ছিলাম এখনও সেখানেই আছি ।
--   না আপনি কি রকম থাকার কথা বলছেন ? সে টা বুঝলাম না
--   ও মা না বুঝেই বলে দিলেন বুঝি ? এ অন্যায় । না বুঝে বলবেন না ।
--   জিজ্ঞেস করলেন কেন ।
--   জিজ্ঞেস করলেই বলতে হবে ? ছোটোবেলা থেকে তো কত কি জিজ্ঞেস করেছে কত লোকে আপনাকে । সব কিছুরই কি উত্তর দিয়েছেন ?
--   না তা দিইনি ।
--   তবে আজ দিলেন কেন ?
--   ইয়ে বাস এসে গেছে । আসি
--   সাবধানে ।
--   হ্যাঁ । 
--আর কাউকে কিছু বলবেন না । জিজ্ঞেস করলেও বলবেন না । মনে থাকবে ?

আন্তাবড়ি - ১



- ও দাদা আপনি হাটতে যাচ্ছেন ?
- অন্ধ নাকি দেখছেন না হাটছি !
- আহা আমি এ হাটার কথা বলিনি
- তবে কি গড়িয়াহাটা-র কথা র বলছেন ।
- আঃ রসিকতা করছেন কেন ?
- রসিকতা তো আপনি করছেন মশাই ।
- অমনি বললেই হল ? আমাকে হাটতে দেখে জিজ্ঞেস করলেন কেন হাটতে যাচ্ছি কিনা । জানেন না আমি রোজ সকালেই হাটি ।
- ধুত্তেরি আমি কি এই হাটার কথা বলেছি নাকি ?
- বলেননি আবার এই শুরুতেই তো বললেন । “হাটতে যাচ্ছেন”
- আঃ আপনি বুঝছেন না ।
- কেন বুঝতে যাবো ? বুঝে কি উদ্ধার হবে শুনি । কি পরিবর্তন টা আনবেন বুঝিয়ে হ্যাঁ ?
- আমি কখন বললাম আমি পরিবর্তন আনবো ?
- এই যে বলছেন । আপনি এ হাটা নয় অন্য হাটার কথা বলছেন । তা যেটা রোজকার বাইরে তাই তো পরিবর্তন ।
- তা ঠিক কিন্তু আমি কিন্তু তা বলিনি ।
- ও তাহলে আপনি ঠিক বলেননি স্বীকার করছেন তো ? আমিও জানতুম আপনি ভুল বলছেন ।
- কি যাতা বলছেন? ভুল কি বললাম ?
- কেন আপনি তো বললেন যে আমি ঠিক বললাম ।
- তাই বলে কি আমি ভুল বললাম ?
- ঠিক আছে আমিও ঠিক, আপনিও ঠিক । শান্তি ।
- হ্যাঁ সেটাই তো বলছি ।
- সেটা ঠিক বলছেন ?
- মনে তো হয় ।
- কেন সন্দেহ কি সে ?
- কি সে আবার সন্দেহ হতে যাবে ?
- ওই যে কি মনে হয় ঠিক করে উঠতে পারছেন না ।
- আমি তো শুধু বলছিলাম......
- কি বলছেন দেখা তো গেলো । আর কিছু বলতে হবে না । হা হা হা ।
- ঠিক আছে তবে থাক আর বলবো না ।
- চলুন হেটে আসি বাকি টা ।
- হ্যাঁ রোজই তো হাটছি ।

Thursday, November 1, 2012

কি যে হয় , লাগে না ভয়

আজকে সন্ধ্যে থেকে খ্যাপামির জিন টা Overexpress হয়ে আছে । তাই এই রাত ১২ টার পর কিছুটা সৃজনশীলতায় উপড়ে দেওয়ার ইচ্ছে হয়েছে । কি বোর্ডে আঙ্গুল ছুঁয়ে আগডুম বাগডুম যা বেরোচ্ছে সেটা কে স্বপ্নদোষ ছাড়া আর কিছুই বলা যায় না । তবুও একটা কন্ট্রোল রাখার আদিম চেষ্টা রেখেছি কোনো ক্রমে । মনের মধ্যে বিরক্তি নেই, ক্ষেদ নেই,Depression D থেকে Frustration এর F টা কারুর দেখা নেই । এমন একটা ড্রাই ডে তে আর কি করা যায় । তাই আমার একামেবাদ্বিতীয়ম বাচালতার হোল্ডার এই ব্লগ খানির উপর জুলুম বাজি করছি । একটু আগে ফেসবুকে দু-দুবার খিল্লি কলম চালিয়ে সাফল্য পেয়ে সেগুলো এখানে বোঝাই করতে এলুম ।

প্রথম লেখাটি পড়ে বোঝো

খাচ্ছ খাও
নিপাত যাও

গল্পেরা ঘেটে ঘুঁটে রাতে যাবে শুতে
ব্রেকফাস্ট ছুরি দেবে আঙ্গুলেতে পুঁতে
বাটারে বাটারে এ যত মাখা পাউরুটি
বিছানা ছাড়িনি পায়ে অজন্তা চটি
ঘুরে ফিরে দিনকাল বদলায় ফ্রি তে
ডায়েট চার্ট এ শুরু হাতি ছাপ ঘৃতে ।

আর দ্বিতীয় লেখা টি আমাকে আমার জন্য

ভূত চতুর্দশী

ছমছমে রাত, ভূত দেবে সাথ,
খুলে রেখো জানলা, দরজার পাল্লা
ঢুকে যদি ঘরে ওরা, বসে পড়ে পাশে
কাটিয়ো রাত খানা, অতি উল্লাসে
রাম নাম ভুলে আজ, জমে যাবে সিন
আজ আজ আজ আজ দাদা হ্যাপি Halloween




Friday, August 10, 2012

BINITO BADOL (বিনিত বাদল)

পাল তুলেছে শহরতলি, বারিষ মানেই তুমি আমি,
নিকষ কালো মেঘের গায়ে, আটছে গদি কৃষ্ণস্বামী ;
নেহাত কপাল মন্দ হলে, ঘরবন্দি দ্বিতল বাড়ি
গোমড়া মুখে গুটিয়ে জিন্স কল্পনাতেই লাড্ডু ফাড়ি ;
আমার শহর, ক্লেমিং খানা, দহেজ পাওয়া অহংকারে
থাকলে পাশে যেমন খুশি, নহিতো ফির খিস্তি ঝাড়ে ;
শহরতলি বর্ষা আনে লার্জ স্ক্রিনে, ক্যাফে কফি
এক চিলতে রোদ্দুর আজ তোমার মুখে নিয়ম মাফিক ;
ভেজা ঘাসে, ছিড়তে থাকা, অতীত কালের দিল-দিওয়ানা
নিয়ম মাফিক দেখতে হাসি খুচরো পকেট আর চলে না ।।


Thursday, July 19, 2012

অতঃ কিম

রোজ রোজ কিছু বলা কওয়ার থাকে না । আবার যেমন আমার মতন কিছু উপদ্রব পৃথিবীতে আছে যার মাঝে মাঝে কোনোদিন কিছু করারও থাকে না । তখন বেআক্কেলে অকাজপনায় দুনিয়া জ্বালাই । অবশ্যই তাই বলে তোমরা আমাকে হনুমান বলবে তা চলবে না । আমি অত বীরপুরূষ নই, তবে বাঙালীর চির শৈশবের সেই প্রাচীন প্রবাদে আমারও একখানি অদৃশ্য লেজ স্থান পেয়েছে । তবে এই জ্বলুনি তে তার অবদান কতটুকু তা বোধহয় তোমাদের কাছে ঠিক বুঝিয়ে বলতে পারবো না । তবে হ্যা আমি আবার খুব একটা নির্লজ্জ-ও নই । এই আজকেই যেমন ধর , সক্কাল সক্কাল ঘর ছেড়ে আশপাশ ঘুরে যখন লক্ষী ছেলের মত ঘরের দূয়ার ছুলাম ঠিক তখনি আমার কলজে তে লজ্জার ফড়ফড়ানি টা শুরু হল। কি অবাধ আচরনে দিন কাটালুম আর তার কারণ কাজের কাজ কিছু ছিলনা বলে । অবশ্যি এটার half life বেশ কম । এখনই যেমন সেসব কোথায় হাওয়া হতে শুরু করেছে । তবে হ্যাঁ এই লেখার কারণ আজ আমার আর কিছু বলার নেই । আমার মাঝে মাঝে নিউজ রীডার হওয়ার ভারী সাধ জাগে , প্রতি মিনিটে ওদের বলার কত কি আছে । অবশ্যি আমার একটি প্রবলেম আছে আর সেটি হল অতঃ কিম । কালা লোকেদের বললে তার কি শুনতো "ঘোড়ার ডিম" আমার সেটা মনে হল । অবশ্য ঠিক শুনতেও পারত , কিংবা আর কিছু শুনতে পারতো । সেই অতঃ কিম রোগ টায় আজ আমি বেশ পর্যুদস্ত । রোগ টা আমার মধ্যে কিছু পরিবর্তন এনেছে যেমন আমি হঠাৎ করে এক কথার মানুষ হয়ে গেছি লোকজনের কথার উত্তর এক কথায় দিচ্ছি । কারণ আমার মনে হচ্ছে অতঃ কিম । বেশী কথা বলে কি হবে ? খাওয়ার আগে খাওয়ার টা মুখের সামনে নিয়ে ভাবছি অতঃ কিম , এটা কেন খাচ্ছি , খেয়ে কি হবে । সিগারেটের ধোঁয়া টা মুখে নিয়ে ছাড়ার আগে ভাবছি অতঃ কিম ছাড়ার পর কি হবে । আর তাতেই বেশ নাকানি চোবানি খেতে হচ্ছে সারা দিন ধরে । অবশ্যি আমার এসব বিলাসী রোগের স্থায়িত্ত্ব খুব কম । এই একটা রাত । তারপর সকালে আমি "অন্যরুপেন সংস্থিতা" । এবার এই বকবকম টা তো তোমাদের দেখাতেই হয় । কিন্তু ঐ আবার মনে হচ্ছে অতঃ কিম । বলে দিও তো কার কতটা জ্বলল । অতঃ কিম ।

খাচ্ছে খাক , নিপাত যাক, মৌ-এর চাক
অতঃ কিম
শুরুর শেষ, পুলিশ কেস, ডনকে চেস
অতঃ কিম
না মুমকিন, ঘোড়ার ডিম, ফেয়ার ক্রীম
অতঃ কিম
চলছে চলুক, মগের মুলুক, তালা ঝুলুক
অতঃ কিম
আমারও হবে , কবে কবে ? দিন যে যাবে
অতঃ কিম
শেষ ভালো যার, সব ভালো তার, পড়ুক সাটার
অতঃ কিম ।।

Wednesday, July 18, 2012

আবার একটি দিনের শেষে

আজকে অস্থিরতা টা বেশ ভালো ভাবে প্রশ্রয় পাচ্ছিল । কোনো কিছুতেই ঠিক মতো এগোতে পাচ্ছিলাম না সারাদিন । আর তাতেই রাগ টা ক্রমশ বেড়ে চলেছিল নিজের ওপর । প্রতিফলন এর প্রথম সূত্র মেনে তা ক্রমাগত আহত করছিল চারপাশ । ধূপের গন্ধ, লতা, আশা, কিংবা বেগম আখতারেও তৃপ্তি খুঁজে না পাওয়া দিন গুলো আমার কাটে এলোমেলো ওয়েব ব্রাউজিং-এ । সেখানে ব্রাউজিং হিস্ট্রি ঘাটলে হয়ত আমাকে দুশ্চরিত্র বলতেও ইচ্ছে হতে পারে । তাতে আমার খুব একটা যায় আসে না । তবে শেষমেশ একটা কিছু ভাবে দিন টা শেষ করার ইচ্ছে টা প্রবল হতে থাকে । অবশ্য এই মাত্র তার একটা সুরাহা হল । নয়ন হালদার দা এসেছিল হঠাৎ চ্যাটবক্সের অছিলায় আর দিয়ে গেল সেই সমাপ্তির অধ্যায় টা । একটা ছবি আর তার জন্য লিখতে বলা চারটে লাইন । বুঝলাম আজ নিজের ইচ্ছেয় নয়, ফরমায়সী লেখার দিন ছিল আর তার আগমন ঘটল একটু দেরীতে । আমি এখন বেশ শান্ত । আধপোড়া সিগারেট টা পাশে রেখেই লিখতে শুরু করেছিলাম। ওঠা এতক্ষন হাওয়ায় পুড়ল । আমি শুধু প্যাসিভ স্মোকার হয়ে রইলাম । লগ অফ করার আগে তোমাদের কাছে রেখেগেলাম  সেই চারলাইন আর সেই একটি ছবি । ছবির কৃতিত্ব নয়ন হালদার দা-র


 আমি সহজ ভাবে লিখতে পারি না । নয়ন দা এর ক্যাপশন দিয়েছিল  রবি ঠাকুরের "কোথাও আমার হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা" । আমি খুব বাঁকা কথার ছেলে । আর তাই সেই দৃষ্টিভঙ্গি তেই আমার চরম ধংসাত্মক এই চার লাইন।

ছুটছে আগামী ঐতিহ্যের আগে
তার বেড়ে ওঠা সাক্ষী থাকবে স্তম্ভে
সে তো নিশ্চুপ আগামীর , আগামীতে
বহাল আগামী, পুরাতনী সেই দম্ভে

Thursday, November 10, 2011

Do Dooni Char



I could clearly remember our Maths teacher in School who used to say that make a day 26 hours and practice, only that way you can get a good score, actually he had learnt it from his teacher and perhaps his teacher too. There was something else in those words. It meant to give an extra effort than usual. Though I was not enough smart to understand it at that time. So just used the time in my way and that far less than even 24 hours.

When we really talk about time it appears that, aren't we wasting time talking about managing it, why not lets start working in this time. But for every productive work we need to invest something and here it is Time which is the most valuable asset in our lifetime.


Scientific idea has given a boundary of 24 hours and after that we are compelled to add a day everyday. In our busy life it matters much, if anyway we could get 2 hours more. With the blessing of thalamus (part of brain involved in imagination) we are enabled enough to imagine that & can share some instances we could do if it really happens.

In my humble opinion the want of 2 hours extra in a day changes with our ages. Here I will try to make your voyage through those time and i hope you will experience how it changes smoothly.

Lets start with the early ages when we had immense energy to exhaust ourselves even after a whole day workout, yes the younger ourselves. We then hardly care about how many hours really makes a day. Later with the introduction of bookish knowledge we grab the idea of 60 secs make a minute and thereby 24 hours a day & the bang happened thereafter. We were forced to bound by routines. 45 minutes each class, 8 hours in school. 2 hours to play, 8 hours to sleep and so on. All that schedule forced us to run by the time and we are still running after it and we will do the same until last day of our life.

2 hours, before the exam night it appears in the mind of almost every students that they could finish whole syllabus if they could manage 2 hours more. It happens same before the every god damn exams. Just like that when we spend time with girlfriend or boyfriend we badly want to stop the time & more 2 hours in that event matters a lot.

In the lazy winter time it always appear to me if I could delay the clock 2 hours more when my mobile buzz its routine alarm. Its similar in the hot summer, when the AC classroom/office pampers me to stay inside the room 2 hours more before getting burned.

Unlike all these things it always appeared hard to me when I have two extra hours in exam time and I have nothing to write. ;) . Though that is the main inspiration of my creative writing. So I can say. Extra time always matter for creativity. Like now as I was not getting time to complete this piece, not actually a two hours span but still as per requirement. So probably if I could get extra two hours I could finish it earlier.

Thats in very generalize form I have explained till now what I could do. But if the matter seriously happen and earth really delays to revolve around the Sun, probably I will not spend it sleeping(I am not overconfident ;) ). But I would like to invest it like my recently grown up business mind and would like to make "Do Dooni Chhar" (2x2=4). Is it confusing? But really not, actually I will try to follow my Teacher's words now. I will try to make use of it worth fully. Though I have many options now to spend it worth fully, but only the real time will tell how will I spend it. But I can assure you it will not be same daily as I become bore very fast.

So friends my article may disappoint you atlast, knowing that I really have not disclosed what I will do in my extra time, but it is true in all senses. If you have planned already what you will do, believe me it will not happen the same. Am I behaving like philosopher? I do not want to be. So lets shutter down and here I am clicking Publish Post.