বিশেষ সতর্কীকরণ


পড়তে ভালো লাগবে না , পড়তে গিয়ে ভাবতে বসলে তো গেলো গঙ্গা স্নানেও পাপ শুদ্ধি হবে না । তাই বিশেষ সতর্কীকরণ "পড়তে নেই, নইলে ভালো থাকতে নেই"

Showing posts with label BENGALI. Show all posts
Showing posts with label BENGALI. Show all posts

Thursday, April 30, 2015

অন্য-রকম



ভাবতে বসে চোখের তারায় হারিয়েছিলে
পলক ফেলার সে খেলা তো অন্যরকম
আজও ভাবাও একপ্রকারে শান্তি পেলে
চোখ বুজে আজ কল্পনাতেই সেদিন যেমন

যে সব ফেলে তোমার সাথে হারিয়েছিলাম
আজ পাবো না জানার পরেও শান্ত থাকি
সে দিন চোখের তারায় ছিল অন্ধগলি
তিস্তা পারে কয়েক দিনের গল্প বাকি

বেশ গড়াত গল্প না হয় কয়েক পাতা
স্পর্শ আরও কয়েক ফুলের ওড়াত মন
উপচে উঠে তলিয়ে গেলে যে প্রবাহ
আগলে রাখা হারিয়ে যাওয়ার সব আয়োজন।

Saturday, April 4, 2015

আজনবি



সুন্দর ফেলে এমনিতে কলরব
শব্দেরা জানে নিঃশব্দের ভাষা
এক ঝলকই তোমায় দেখা কাফি
চোখে চোখ রাখা মিথ্যে কিছু আশার

বদলাও তুমি নিজেকে নিজের মতো
আমি ঘুরেফিরে পরিবর্তন সাজি
তিক্ষতা শুধু ছুঁয়ে যায় অবিরত
গোপনীয়তায় পোড়াও স্বপ্নবাজি

ওঠে ঝড় কিছু নামকরণের আগেই
বেনামী সূত্র ফেলে রাখে ঘড়ি কাঁটা
যা কিছু প্রিয়, থাকে প্রিয়র মতই
আজনবি হয়, চেনা গন্ধের পাতা।

Tuesday, April 16, 2013

ভাবনায় ইতি

ভাবনা এক বড় দুর্লভ এবং দুর্বল বস্তু । ভাবনা যেমন কারুরু জয়ের পথের টয় হতে পারে তেমনি দুর্বল ভাবনায় ফুটবল হওয়ার বিপদও সমানে সমানে । তাই ইচ্ছে হল এই ভাবানাকে একটু হাইপ দেওয়া যাক । সব কিছুর শুরুই একটা না একটা ভাবনা । আর এই ভাবনার সমারোহে সামিল হয়ে আমার ভাবনায় ভাবনার কিছু কাব্যিক ম্যাসাকার ।


আমি জানি আমি পারব, এই ভেবে কত গর্ব
এই ভেবে আমি হাঁটি রোজ, এই ভেবে যাই শুতে
আয়নায় দেখি এই ভেবে মুখ, ভাবনার বীজ পুতে

ভাবনার বীজ পোতা থাকে শুধু, জল পানি তাতে ভাবনাই
যদিও জানি এমন করলে, ভাবনাতে কিছু লাভ নাই
ভাবছি তবুও নিজের মত, ভাবনার জলে ডুব দিই
সময় পেলেই ভাবতে বসি, ভাবনাতে ডুবে কব্জি

ভাবতে ভাবতে পরে থাকে শুধু, ভাবনার কিছু তলানি
অনেক ঘুটে পুড়ল শুধু, শেষ হয়ে গেল জ্বালানি
গর্ব এবার খর্ব কিছুটা, হাঁটা, শোয়া সবই বদনাম
ভাবনার সুতো গুটিয়ে ভাবি, আমি জানি আমি পারতাম ।


Friday, April 5, 2013

আরও একবার

 অনেকদিন পর লিখছি । অনেকদিন টা ঠিক কতদিনে হয় ঠিক জানা নেই । তবে আগে যেমন ঘনঘন বেশ লুস মোশনে লিখতাম, তেমন নয় । তবে তাতে গাঢ়ত্ব কত বেড়েছে বলতে পারবো না । একটু অন্য ছন্দ, একটু অন্য রিদিমে লেখা । আগে এমনটা লিখিনি । বিষয়টাও কতকটা একঘেয়ে লাগতে পারে । তবে লাগুক । তবে এখনও লিখতে পারছি এতে বেশ আশ্বস্ত । একটা ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ার মত । ঘাম টা মাথা থেকে পা-য়ে পড়ার আগেই অবশ্য শুকিয়ে গেছে । আর কিছুটা সময় ছড়িয়ে গেছে ফাঁকা উঠোনে । কুড়িয়ে নিও যে যার মত সময় পেলে ।

ভাবিস না তুই আলোর চেয়ে জোরে ছুটবো আমি
ফেরার চেষ্টায় অবাধ জলে আবছা সামিল
তোর প্রায় ফুরোনো সময়টাকে বাধবো বলে
আর কিছু টা চাইছি সময় রাত পোহালে
আমি তোর ঠিকানায়, তোর সীমানায়
দূরবীনে চোখ আস্ত কানা
আলপিনে ফুল
আর কিছুটা চাইছি সময়
আর কিছু ভুল

ভাবিস না তুই ডুব দেবো না ভরলে কানায়
ফিরছি ভিজে ফিরছি তোর ওই ভুল ঠিকানায়
তোর চাঁদের বাড়ি, চরকা কাটা বুড়ির সুতো
ফেরার বিকেল, ওড়ায় ধূলো তোর এক মুঠো
তোকে সাহস দেখাই, বাঁচবো একাই
শক্ত মনে
তবুও কিছু চাইছি সময়
মন্দ বলে ।

Sunday, December 23, 2012

আন্তাবড়ি - ৩


- পুটকি টা দেখছেন ?
- কোথায় ?
- ওই যে দেওয়ালে দেওয়ালে ।
- কোন দেওয়ালে ?
- হোয়াইট হাউসের দেওয়াল নিশ্চয় বলিনি ।
- বলেননি যে কি করে বুঝবো ? আপনি তো সেটাও বলেননি যে আপনি বলেননি ।
- আমি তো শুধু পুটকি বোললাম ।
- তো হোয়াইট হাউস-ও বলতে পারতেন ।
- না কেন বলবো ?
- এই, যে জন্য পুটকি বললেন ।
- সে তো পুটকি আছে বলে বোললাম ।
- সে টা কোথায় ?
- দেওয়ালে ।
- দেওয়াল টা কোথায় ।
- সেটা জিজ্ঞেস করুন না ।
- করতে দিচ্ছেন কই !
- দিচ্ছি না বলে করবেন না ?
- করতে দিলেই বা কেন করবো ।
- সুযোগ এলে সদ্ব্যবহার করতে হয় বলে ।
- সব ব্যবহার কি সৎ হয় ?
- অসৎ না করলেই হয় ।
- আপনি জানেন আমি সৎ
- আপনিও তো জানেন না আমি সৎ কি না ।
- তাতে আমার কি ?
- তাতে আপনারও কিছু না ।
- তাহলে পুটকি দেখুন ।
- কোথায় ?
- দেওয়ালে দেওয়ালে ।

Friday, December 21, 2012

আন্তাবড়ি - ২



(সকাল ৯ টা বাস স্ট্যান্ড, একটি লোক দাঁড়িয়ে, পাশে আর একজন এসে দাঁড়ায় ।)
আর একজন লোক জিজ্ঞাসা করে ।
-    
--   কোথায় আছি বলুন তো ?
--   কেন যেখানে ছিলেন ।
--   ইয়ে মানে সেটাই বা কোথায় ?
--   কেন আপনি কি ভবঘুরে । এক জায়গায় থাকেন না ?
--   এইরে তা তো বলতে পারবো না । তবে সেরকম উৎখাত জাতীয় কিছু হইনি কখনো । হলে হয়তো ভবঘুরে হয়ে যাবো ।
--   তাহলে তো মিটেই গেল, আগে যেখানে ছিলেন এখনো সেখানেই আছেন ।
-   আচ্ছা মুস্কিল সেটাই তো জানতে চাইছি আগে ঠিক কোথায় ছিলাম ।
--   না ঠিক কতক্ষণ আগের কথা জানতে চাইছেন ।
--   আপনি ঠিক কতক্ষণ আগের কথা জানেন ?
--   এই তো মিনিট তিনেক আগে আপনি আমার পাশে এসে দাড়ালেন ।
--   ঠিক বলছেন । মিনিট তিনেক ?
--  একদম কাঁটায় কাঁটায় ঠিক না হলেও, আপাতভাবে সেরকম ।
--   তাহলে দেখুন সময় ব্যাপার টাই তো আপাত । আর সময় আর স্থান দুটোই পরস্পরের উপর নির্ভরশীল । তাহলে আপনি কি বলতে পারেন যে আমি আগে যেখানে ছিলাম এখনও সেখানেই আছি ।
--   না আপনি কি রকম থাকার কথা বলছেন ? সে টা বুঝলাম না
--   ও মা না বুঝেই বলে দিলেন বুঝি ? এ অন্যায় । না বুঝে বলবেন না ।
--   জিজ্ঞেস করলেন কেন ।
--   জিজ্ঞেস করলেই বলতে হবে ? ছোটোবেলা থেকে তো কত কি জিজ্ঞেস করেছে কত লোকে আপনাকে । সব কিছুরই কি উত্তর দিয়েছেন ?
--   না তা দিইনি ।
--   তবে আজ দিলেন কেন ?
--   ইয়ে বাস এসে গেছে । আসি
--   সাবধানে ।
--   হ্যাঁ । 
--আর কাউকে কিছু বলবেন না । জিজ্ঞেস করলেও বলবেন না । মনে থাকবে ?

আন্তাবড়ি - ১



- ও দাদা আপনি হাটতে যাচ্ছেন ?
- অন্ধ নাকি দেখছেন না হাটছি !
- আহা আমি এ হাটার কথা বলিনি
- তবে কি গড়িয়াহাটা-র কথা র বলছেন ।
- আঃ রসিকতা করছেন কেন ?
- রসিকতা তো আপনি করছেন মশাই ।
- অমনি বললেই হল ? আমাকে হাটতে দেখে জিজ্ঞেস করলেন কেন হাটতে যাচ্ছি কিনা । জানেন না আমি রোজ সকালেই হাটি ।
- ধুত্তেরি আমি কি এই হাটার কথা বলেছি নাকি ?
- বলেননি আবার এই শুরুতেই তো বললেন । “হাটতে যাচ্ছেন”
- আঃ আপনি বুঝছেন না ।
- কেন বুঝতে যাবো ? বুঝে কি উদ্ধার হবে শুনি । কি পরিবর্তন টা আনবেন বুঝিয়ে হ্যাঁ ?
- আমি কখন বললাম আমি পরিবর্তন আনবো ?
- এই যে বলছেন । আপনি এ হাটা নয় অন্য হাটার কথা বলছেন । তা যেটা রোজকার বাইরে তাই তো পরিবর্তন ।
- তা ঠিক কিন্তু আমি কিন্তু তা বলিনি ।
- ও তাহলে আপনি ঠিক বলেননি স্বীকার করছেন তো ? আমিও জানতুম আপনি ভুল বলছেন ।
- কি যাতা বলছেন? ভুল কি বললাম ?
- কেন আপনি তো বললেন যে আমি ঠিক বললাম ।
- তাই বলে কি আমি ভুল বললাম ?
- ঠিক আছে আমিও ঠিক, আপনিও ঠিক । শান্তি ।
- হ্যাঁ সেটাই তো বলছি ।
- সেটা ঠিক বলছেন ?
- মনে তো হয় ।
- কেন সন্দেহ কি সে ?
- কি সে আবার সন্দেহ হতে যাবে ?
- ওই যে কি মনে হয় ঠিক করে উঠতে পারছেন না ।
- আমি তো শুধু বলছিলাম......
- কি বলছেন দেখা তো গেলো । আর কিছু বলতে হবে না । হা হা হা ।
- ঠিক আছে তবে থাক আর বলবো না ।
- চলুন হেটে আসি বাকি টা ।
- হ্যাঁ রোজই তো হাটছি ।

Thursday, November 1, 2012

কি যে হয় , লাগে না ভয়

আজকে সন্ধ্যে থেকে খ্যাপামির জিন টা Overexpress হয়ে আছে । তাই এই রাত ১২ টার পর কিছুটা সৃজনশীলতায় উপড়ে দেওয়ার ইচ্ছে হয়েছে । কি বোর্ডে আঙ্গুল ছুঁয়ে আগডুম বাগডুম যা বেরোচ্ছে সেটা কে স্বপ্নদোষ ছাড়া আর কিছুই বলা যায় না । তবুও একটা কন্ট্রোল রাখার আদিম চেষ্টা রেখেছি কোনো ক্রমে । মনের মধ্যে বিরক্তি নেই, ক্ষেদ নেই,Depression D থেকে Frustration এর F টা কারুর দেখা নেই । এমন একটা ড্রাই ডে তে আর কি করা যায় । তাই আমার একামেবাদ্বিতীয়ম বাচালতার হোল্ডার এই ব্লগ খানির উপর জুলুম বাজি করছি । একটু আগে ফেসবুকে দু-দুবার খিল্লি কলম চালিয়ে সাফল্য পেয়ে সেগুলো এখানে বোঝাই করতে এলুম ।

প্রথম লেখাটি পড়ে বোঝো

খাচ্ছ খাও
নিপাত যাও

গল্পেরা ঘেটে ঘুঁটে রাতে যাবে শুতে
ব্রেকফাস্ট ছুরি দেবে আঙ্গুলেতে পুঁতে
বাটারে বাটারে এ যত মাখা পাউরুটি
বিছানা ছাড়িনি পায়ে অজন্তা চটি
ঘুরে ফিরে দিনকাল বদলায় ফ্রি তে
ডায়েট চার্ট এ শুরু হাতি ছাপ ঘৃতে ।

আর দ্বিতীয় লেখা টি আমাকে আমার জন্য

ভূত চতুর্দশী

ছমছমে রাত, ভূত দেবে সাথ,
খুলে রেখো জানলা, দরজার পাল্লা
ঢুকে যদি ঘরে ওরা, বসে পড়ে পাশে
কাটিয়ো রাত খানা, অতি উল্লাসে
রাম নাম ভুলে আজ, জমে যাবে সিন
আজ আজ আজ আজ দাদা হ্যাপি Halloween




Wednesday, October 3, 2012

Just for few of my friends. Dont sneak peek.

এই লেখাটার জন্য কিন্তু আমি ফুল ক্রেডিট নিচ্ছি বস । আজ সকালের মাত্র দু-ঘনটার নাটক কে বেস করে লিখে ফেলেছি , এবং সেটা আমি বেশ এনজয় করছি । আর তাই যে যাই মনে করুক আমি এটা তোমাদের সবাইকে পড়তে বলছি । আর এনজয় করলে আমার হটলাইন নাম্বার ১০০ তে ফোন করে জানিও ।



Friday, August 10, 2012

BINITO BADOL (বিনিত বাদল)

পাল তুলেছে শহরতলি, বারিষ মানেই তুমি আমি,
নিকষ কালো মেঘের গায়ে, আটছে গদি কৃষ্ণস্বামী ;
নেহাত কপাল মন্দ হলে, ঘরবন্দি দ্বিতল বাড়ি
গোমড়া মুখে গুটিয়ে জিন্স কল্পনাতেই লাড্ডু ফাড়ি ;
আমার শহর, ক্লেমিং খানা, দহেজ পাওয়া অহংকারে
থাকলে পাশে যেমন খুশি, নহিতো ফির খিস্তি ঝাড়ে ;
শহরতলি বর্ষা আনে লার্জ স্ক্রিনে, ক্যাফে কফি
এক চিলতে রোদ্দুর আজ তোমার মুখে নিয়ম মাফিক ;
ভেজা ঘাসে, ছিড়তে থাকা, অতীত কালের দিল-দিওয়ানা
নিয়ম মাফিক দেখতে হাসি খুচরো পকেট আর চলে না ।।


Thursday, July 19, 2012

অতঃ কিম

রোজ রোজ কিছু বলা কওয়ার থাকে না । আবার যেমন আমার মতন কিছু উপদ্রব পৃথিবীতে আছে যার মাঝে মাঝে কোনোদিন কিছু করারও থাকে না । তখন বেআক্কেলে অকাজপনায় দুনিয়া জ্বালাই । অবশ্যই তাই বলে তোমরা আমাকে হনুমান বলবে তা চলবে না । আমি অত বীরপুরূষ নই, তবে বাঙালীর চির শৈশবের সেই প্রাচীন প্রবাদে আমারও একখানি অদৃশ্য লেজ স্থান পেয়েছে । তবে এই জ্বলুনি তে তার অবদান কতটুকু তা বোধহয় তোমাদের কাছে ঠিক বুঝিয়ে বলতে পারবো না । তবে হ্যা আমি আবার খুব একটা নির্লজ্জ-ও নই । এই আজকেই যেমন ধর , সক্কাল সক্কাল ঘর ছেড়ে আশপাশ ঘুরে যখন লক্ষী ছেলের মত ঘরের দূয়ার ছুলাম ঠিক তখনি আমার কলজে তে লজ্জার ফড়ফড়ানি টা শুরু হল। কি অবাধ আচরনে দিন কাটালুম আর তার কারণ কাজের কাজ কিছু ছিলনা বলে । অবশ্যি এটার half life বেশ কম । এখনই যেমন সেসব কোথায় হাওয়া হতে শুরু করেছে । তবে হ্যাঁ এই লেখার কারণ আজ আমার আর কিছু বলার নেই । আমার মাঝে মাঝে নিউজ রীডার হওয়ার ভারী সাধ জাগে , প্রতি মিনিটে ওদের বলার কত কি আছে । অবশ্যি আমার একটি প্রবলেম আছে আর সেটি হল অতঃ কিম । কালা লোকেদের বললে তার কি শুনতো "ঘোড়ার ডিম" আমার সেটা মনে হল । অবশ্য ঠিক শুনতেও পারত , কিংবা আর কিছু শুনতে পারতো । সেই অতঃ কিম রোগ টায় আজ আমি বেশ পর্যুদস্ত । রোগ টা আমার মধ্যে কিছু পরিবর্তন এনেছে যেমন আমি হঠাৎ করে এক কথার মানুষ হয়ে গেছি লোকজনের কথার উত্তর এক কথায় দিচ্ছি । কারণ আমার মনে হচ্ছে অতঃ কিম । বেশী কথা বলে কি হবে ? খাওয়ার আগে খাওয়ার টা মুখের সামনে নিয়ে ভাবছি অতঃ কিম , এটা কেন খাচ্ছি , খেয়ে কি হবে । সিগারেটের ধোঁয়া টা মুখে নিয়ে ছাড়ার আগে ভাবছি অতঃ কিম ছাড়ার পর কি হবে । আর তাতেই বেশ নাকানি চোবানি খেতে হচ্ছে সারা দিন ধরে । অবশ্যি আমার এসব বিলাসী রোগের স্থায়িত্ত্ব খুব কম । এই একটা রাত । তারপর সকালে আমি "অন্যরুপেন সংস্থিতা" । এবার এই বকবকম টা তো তোমাদের দেখাতেই হয় । কিন্তু ঐ আবার মনে হচ্ছে অতঃ কিম । বলে দিও তো কার কতটা জ্বলল । অতঃ কিম ।

খাচ্ছে খাক , নিপাত যাক, মৌ-এর চাক
অতঃ কিম
শুরুর শেষ, পুলিশ কেস, ডনকে চেস
অতঃ কিম
না মুমকিন, ঘোড়ার ডিম, ফেয়ার ক্রীম
অতঃ কিম
চলছে চলুক, মগের মুলুক, তালা ঝুলুক
অতঃ কিম
আমারও হবে , কবে কবে ? দিন যে যাবে
অতঃ কিম
শেষ ভালো যার, সব ভালো তার, পড়ুক সাটার
অতঃ কিম ।।

Wednesday, July 18, 2012

আবার একটি দিনের শেষে

আজকে অস্থিরতা টা বেশ ভালো ভাবে প্রশ্রয় পাচ্ছিল । কোনো কিছুতেই ঠিক মতো এগোতে পাচ্ছিলাম না সারাদিন । আর তাতেই রাগ টা ক্রমশ বেড়ে চলেছিল নিজের ওপর । প্রতিফলন এর প্রথম সূত্র মেনে তা ক্রমাগত আহত করছিল চারপাশ । ধূপের গন্ধ, লতা, আশা, কিংবা বেগম আখতারেও তৃপ্তি খুঁজে না পাওয়া দিন গুলো আমার কাটে এলোমেলো ওয়েব ব্রাউজিং-এ । সেখানে ব্রাউজিং হিস্ট্রি ঘাটলে হয়ত আমাকে দুশ্চরিত্র বলতেও ইচ্ছে হতে পারে । তাতে আমার খুব একটা যায় আসে না । তবে শেষমেশ একটা কিছু ভাবে দিন টা শেষ করার ইচ্ছে টা প্রবল হতে থাকে । অবশ্য এই মাত্র তার একটা সুরাহা হল । নয়ন হালদার দা এসেছিল হঠাৎ চ্যাটবক্সের অছিলায় আর দিয়ে গেল সেই সমাপ্তির অধ্যায় টা । একটা ছবি আর তার জন্য লিখতে বলা চারটে লাইন । বুঝলাম আজ নিজের ইচ্ছেয় নয়, ফরমায়সী লেখার দিন ছিল আর তার আগমন ঘটল একটু দেরীতে । আমি এখন বেশ শান্ত । আধপোড়া সিগারেট টা পাশে রেখেই লিখতে শুরু করেছিলাম। ওঠা এতক্ষন হাওয়ায় পুড়ল । আমি শুধু প্যাসিভ স্মোকার হয়ে রইলাম । লগ অফ করার আগে তোমাদের কাছে রেখেগেলাম  সেই চারলাইন আর সেই একটি ছবি । ছবির কৃতিত্ব নয়ন হালদার দা-র


 আমি সহজ ভাবে লিখতে পারি না । নয়ন দা এর ক্যাপশন দিয়েছিল  রবি ঠাকুরের "কোথাও আমার হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা" । আমি খুব বাঁকা কথার ছেলে । আর তাই সেই দৃষ্টিভঙ্গি তেই আমার চরম ধংসাত্মক এই চার লাইন।

ছুটছে আগামী ঐতিহ্যের আগে
তার বেড়ে ওঠা সাক্ষী থাকবে স্তম্ভে
সে তো নিশ্চুপ আগামীর , আগামীতে
বহাল আগামী, পুরাতনী সেই দম্ভে

Sunday, July 8, 2012

কবিতা ক্লাব ও খ্যাপা


এই লেখা টা তোমাদের আগে দেখায়নি । তবে কেউ কেউ দেখেছিলে । এবার এর কবিতা ক্লাবের বৃষ্টিbuzz ম্যাগ এর একটি পাতায় আছে কবিতা টা । তোমরা পড়ে দেখো আর পুরো ম্যাগ টাও অবশ্যই পড়ো । দারুণ সব রোম্যান্টিক কবিতা আছে বৃষ্টি নিয়ে । আমি তো নাম-ই দিয়ে ফেলেছি এটার কিউপিড কালেকশন । তবে দেখা যাক কে বাণ বিদ্ধ হয় ।

Saturday, June 30, 2012

প্যায়ার প্যাকেজ

এসব দরাদরি-র খদ্দের কাউকে হতে বলছি না । পাগলে কি না বলে , মেনে নিলে সব চলে ।


তোর সাথে সম্প্রীতির দোকান খুলবো বলে পসরা সাজিয়েছি
রোজ উইন্ডো শপিং এর অছিলায় খরিদারি-র কোনো বালাই নেই
বন্ধুদল এ হাঁসি ঠাট্টা, ক্লাস বাঙ্ক, বেনিয়ম
পৃথিবী উৎখাত হলেও না-পরোয়া মনোভাব
এরপর যদি লস খাই,
শান্তি নগরে জমি কিনবো, বৃদ্ধাশ্রমের ।।

পড়ার পর কারুর গাল মন্দ করার ইচ্ছে হলে জানিয়ে যেও টিপ্পুনি কেটে । কথা দিলাম আমি কথা কাটবো না ।

Friday, June 29, 2012

তাকে এসব বলা যায় না .

তাকে এসব বলা যায় না . 


তোকে চরম বলছি, মানে ঠিক যেটা বললে একটু কম বলা   হয়
আবার এর থেকে বেশি বলার একটা সুযোগ থাকে .
আমি সুযোগ এর সদ ব্যবহার করি না 
করলে পানসে মুখ, চোখে কালি এঁকে দিতাম রাত ভরে
দাড়িওলা যে স্বপ্ন বুড়ো টা রোজ তোর ঘুম টিফিন এর ফাঁকে,
আদেখলাপনা করে আপাদমস্তক 
মনে করে দেখ, তাকেও রেজিগনেসন দিয়েছিস গতকাল 
আজ তার আঙ্গুল এর ফাকে ছাঁই এর কাঠগড়ায় 
বেয়াদপির  কালিমা .. 

Jader compu te bangla pora jabe na tader jonnyo niche abar